সিনিয়র রিপোর্টার এমদাদুল হক
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবার একটি বড় চালান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি। এ সময় ১৪ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে সীমান্তপথে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে বিজিবি। এরই ধারাবাহিকতায় হ্নীলা চৌধুরীপাড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা মালামাল তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির তথ্যমতে, অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪২ কোটি টাকা বলে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার থেকে সীমান্তপথে ইয়াবার এই বিশাল চালান বাংলাদেশে এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কি না এবং এই চালানের সঙ্গে আরও কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আটকের ঘটনায় মাদক পাচারের ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে। বিশেষ করে মিয়ানমার সীমান্ত ব্যবহার করে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আটক দুই মাদক কারবারি এবং উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এই বিশাল চালানের মূলহোতা, সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
১৪ লাখ ইয়াবার এই বিশাল চালান আটকের ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
