
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে জেলার শেখ মোঃ রাসেল যোগদানের পর থেকে কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নিয়মাবর্তিতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা এবং খাবারের মান নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ।
কারাগারে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, বন্দিদের সঙ্গে মানবিক আচরণ এবং কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ সুন্দর রাখতে গুরুত্ব দিচ্ছেন জেলার শেখ মোঃ রাসেল। এর ফলে কারাগারের দৈনন্দিন কার্যক্রমে এসেছে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা।
বিশেষ করে বন্দিদের সঠিক সময়ে ও পরিমিত খাবার পরিবেশন এবং খাবারের মান নিয়েও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারাগারের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বন্দিদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে খাবার পরিবেশন, শৃঙ্খলা ও সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে তাদের মধ্যে সন্তুষ্টি রয়েছে। অনেক বন্দিই বলছেন, আগের তুলনায় কারাগারের পরিবেশ এখন অনেক বেশি গোছানো ও নিয়মতান্ত্রিক।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন দায়িত্বশীল কারা কর্মকর্তার সক্রিয় তদারকি ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণে কারাগারের ব্যবস্থাপনায় এমন ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার শেখ মোঃ রাসেলের যোগদানের পর নিয়মাবর্তিতা, শৃঙ্খলা, বন্দিদের খাবার পরিবেশন এবং সার্বিক পরিবেশে উন্নতি—সব মিলিয়ে কারাগারের অভ্যন্তরে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। বন্দিদের পক্ষ থেকেও বড় ধরনের কোনো অভিযোগ না থাকায় বিষয়টি স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।