কাজী আতিক খুলনা ব্যুরো:
খুলনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের একটি অংশের বিরুদ্ধে পরিবহন ও ট্রাক থেকে মাসিক চুক্তিতে অর্থ আদায়, অনিয়মের মাধ্যমে যানবাহন চলাচলের সুযোগ দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন খুলনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের টিআই (প্রশাসন) শ্যামল।
খুলনা জেলার টিআই চলতে দাবায়ীত্বে তিনি গত ১৫/৮/ ২৪ সালে ট্রাফিক অফিসে যোগদান করে,তার যোগদান পর কেউ ঠিক মতো কাজ করতে পারি নাই ,তার নিজের একটা বাহিনীছিাড়া টিআর বিপক্ষে গেলে তাকে বদলি করে দেওয়া হয় অন্য যায়গায় ৷
টিআই শ্যামল কুমার নাামে সরকারী আইন অনুযায়ী চারটি শাস্তি আছে, পরিবহন ,ট্রাক থেকে মাসিক চুক্তিতে টাকা তোলার প্রশ্ন করলে বিভিন্ন সাংবাদিক পুলিশ দিয়ে ম্যানেজ করার বারবার চেষ্টা করে এই পুলিশ কর্মকর্তা ৷
প্রচুর পরিমাণে অর্থ বাণিজ্য আয় করেছে সামান্য এই কর্মকর্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের ভিতরে প্রচুর খুব জমেছে তার বিচারের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
অনুসন্ধানে ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনা জেলার বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহনের কাছ থেকে মাসিক চুক্তিতে অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মাসিক চুক্তির আওতায় থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অমান্যের মামলা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।
পরিবহন মালিকদের কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সড়কে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ সময় মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলেও বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে অনেক যানবাহন প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সড়কে চলাচল করছে বলে তাদের অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, কোনো সার্জেন্ট বা টিএসআই মাসিক চুক্তির আওতায় থাকা কোনো গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দিতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নানা অভিযোগ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অন্যত্র বদলি করে দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ট্রাফিক সদস্য।
এদিকে টিআই প্রশাসন শ্যামলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে পরিবহন ও ট্রাক থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি অভিযোগের পর নজরুল নামের এক কনস্টেবলকে পুটিমারী ক্যাম্পে এবং এটিএসআই কিশোর ও সার্জেন্ট লিমনকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথাও আলোচনায় এসেছে।
পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। তাদের দাবি, ফিটনেসবিহীন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো প্রয়োজন।
খুলনা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, “আমরা বারবার চেষ্টা করেছি রাস্তাটি যেন সবার চলাচলের জন্য হয়। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কিন্তু মোটরসাইকেল ছাড়া অন্যান্য পরিবহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেওয়া হয় না—এমন অভিযোগ আমাদের কাছেও রয়েছে। পরিবহন ও ট্রাকের সঙ্গে মাসিক চুক্তিতে টাকা তোলার অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। এর কারণে সড়কে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক গাড়ির বৈধ কাগজপত্রও নেই।
খুলনা জেলা র পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক যায়যায়দিনকে বলেন ,ট্রাফিকের কোন পুলিশ সদস্য ঘুষ বাণিজ্য চাঁদাবাজি সাথে জড়ালে তাদের কাউকে ছাড় দিবো না ৷ আমি নতুন করে ট্রাফিক সাজাবো যোগ্য পুলিশ সদস্যদের কে নিয়ে ট্রাফিক কে আরো গতিশীল করে তুলবো ৷অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো বলে তিনি জানান ৷
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাসিক চুক্তিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত, যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই এবং আইন অমান্যকারী সব ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবহনসংশ্লিষ্টরা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক আবির সিদ্দিকী শুভ বলেন,আমি খুব অলসময় দ্বায়ীত্ব নিয়েছি ,শুনেছি অনিয়ম হচ্ছে ,তিনি কোন প্রশ্ন উত্তর না দিয়ে তাড়াগড়া করে বের হয়ে যান ৷
