চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য জড়ো হওয়ার অভিযোগে করা মামলায় পাঁচ নারী আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় অপর ১০ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেন এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন-উর-রশীদ বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার বিকেলে মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনি সংলগ্ন হাজি ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টার্চ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ নারীসহ ১৫ জনকে আটক করে ডবলমুরিং থানা-পুলিশ। পুলিশ জানায়, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদের সদস্য। কামেলা খানম রুপা চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। সুজলা অন্তরা চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহসম্পাদক। শারমিনা ইয়াসমিন নিশু চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক।কারাগারে পাঠানো ১০ আসামি হলেন- ইস্কান্দার মির্জা, শুভ আইচ, সঞ্জয় কান্তি নাথ, এসএম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন। তাঁদের মধ্যে ইস্কান্দার মির্জাকে হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক এবং শুভ আইচকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে পুলিশ।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন-উর-রশীদ বলেন, পুলিশ ১৫ জনকে আদালতে পাঠানোর পর রোববার তাদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ নারী আসামির জামিন মঞ্জুর এবং অপর ১০ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
